এবার তরুণ বিজ্ঞানী মুনের নতুন আবিস্কার হ্যাকার রোবট “গ্যারি”

ব্যুরো রিপোর্ট: বহুমাত্রিক প্রযুক্তির উদ্ভাবক দেশসেরা তরুণ বিজ্ঞানী যশোরের কৃতি সন্তান সেখ নাইম হোসেন মুন এবার হ্যাকার রোবট ‘গ্যারি’ উদ্ভাবন করে চমক সৃষ্টি করেছে। তার নতুন এই উদ্ভাবন অপরাধীকে সহজে চিহ্নিত করার পাশাপাশি মানুষকে সঠিক পথ চেনাতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে। প্রযুক্তির এই নতুন উদ্ভাবনের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ইতিমধ্যে

যশোরে ৪০তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজ্ঞান মেলার প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
যশোর শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সেখ নাইম হোসেন মুন। অদম্য মেধাবী এই তরুণ বিজ্ঞানী ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির উদ্ভাবনে মনোযোগী হয়ে পড়ে। লেখাপড়ার পাশাপাশি বিজ্ঞান চর্চায় সে বিভিন্ন প্রযুক্তি তৈরি করে দেশসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তার প্রথম আবিস্কার অত্যাধুনিক ‘ড্রন’ সবার নজর কাড়ে। যে কারণে অল্প সময়ের ব্যবধানে সে ‘ড্রনবয়’ হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি লাভ করে। এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া এই বিজ্ঞানী এ পর্যন্ত ২২ টি রোবট আবিস্কার করেছে। এর পাশাপাশি শিক্ষা ও কৃষি নিয়ে নানা প্রজেক্ট তৈরি করে সরকারের দৃষ্টি কাড়ে। এজন্য সে একাধিকবার জাতীয় পুরস্কারেও ভূষিত হয়। সম্প্রতি প্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ নিতে ভারত সফরও করে নাঈম হাসান মুন।
সর্বশেষ জেলা প্রশাসন আয়োজিত ৪০তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলায় হ্যাকার রোবট ‘গ্যারি’ উদ্ভাবন করে চমক সৃষ্টি করলো তরুণ বিজ্ঞানী মুন। তার এ নতুন উদ্ভাবন অন্য প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে প্রথম হওয়ার সুযোগ করে দেয়। জিলা স্কুলে তিনদিনের এ বিজ্ঞান মেলায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী নিজেদের তৈরি নানা প্রযুক্তি উপস্থাপন করে। তিনটি ক্যাটাগরি সিনিয়র ও জুনিয়র ও বিশেষ গ্রæপে এ প্রতিযোগিতা হয়। এর মধ্যে সিনিয়র গ্রæপে হ্যাকার রোবট গ্যারি আবিস্কার করে প্রথম স্থান অধিকার করে মুন। একই গ্রæপে যশোর মুসলিম এইড ইনস্টিউট অব টেকনোলজি (এমএআইটি) শিক্ষার্থী রাসেল আহমেদ ‘ফুড স্টোরেজ বাই সোলার রেফ্রিজারোন’ আবিস্কার করে দ্বিতীয় স্থান ও দাউদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুল খালিদ সোয়াদ ‘মডেল হোম’ উদ্ভাবন করে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। এছাড়া জুনিয়র ও বিশেষ গ্রæপের আরও বিজয়ী ৬জন প্রতিযোগীর প্রযুক্তির উদ্ভাবনের ওপর পুরস্কার দেয়া হয়।
মঙ্গলবার যশোর জিলা স্কুল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল বিজয়ী মুনসহ অন্যদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।