খুলনা বিভাগে ৫ হাজার মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি

ব্যুরো রিপোর্ট: আর কদিন পরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে। এবছর খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় চার হাজার ৯৭০টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোপূজার প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজক ও ভাস্কর শিল্পীরা। দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাথে দেশের সকল জেলা প্রশাসকদের ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে যশোরের জেলা প্রশাসক ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন। এতে মন্ত্রিপরিষদ থেকে জেলা প্রশাসকদের সুনিদিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

জানা যায়, এবছর খুলনায় সর্বাধিক ৯৯৮টি, যশোরে ছয়শত ৭৮টি, মাগুরায় ৬৫৩টি বাগেরহাটে ৬৪১টি এবং নড়াইলে ৫৮২টি, সাতক্ষীরায় ৫৭৮টি, ঝিনাইদহে ৪৩৫টি, কুষ্টিয়ায় ২৪৬টি, চুয়াডাঙ্গায় ১১৭টি এবং মেহেরপুরে ৪২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৮ সালে খুলনা বিভাগে ৪ হাজার ৮৪১টি পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।এ বছর ১২৯টি বেশি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামি ৪ অক্টোর ষষ্টীর মধ্যদিয়ে পূজা শুরু হবে। বিসর্জন হবে ৮ অক্টোবর।
এদিকে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সৌহার্দ্য, শান্তিপূর্ণভাবে ও আনন্দমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে তার সম্মেলনকক্ষে বিভাগীয় কোর কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
কোর কমিটির সভায় পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ ও চিকিৎসা সেবাপ্রদান, নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা, প্রয়োজনে সিসি টিভি স্থাপন, উচ্চস্বরে শব্দযন্ত্র ব্যবহার না করাসহ প্রতিমা বিসর্জনের সময় নির্ধারণ (রাত ৮টার মধ্যে) ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় পুলিশ বিভাগসহ খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় দপ্তরের প্রতিনিধি, ১০ জেলার জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও ১০ জেলার পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।