জাতীয় হ্যান্ডবলে অংশ নিচ্ছে যশোর : সঠিক জানে না জেলা ক্রীড়া সংস্থা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ২৯তম জাতীয় হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে যশোর জেলা। অথচ দলে কারা কারা খেলছে, ম্যানেজার ও কোচকে এর সঠিক তথ্য জানা নেই যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার। এমনকি দলের জন্য কোন অর্থও দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল হাসান। যা নিয়ে যশোর হ্যান্ডবল অঙ্গনে চলছে নানামূখী সমালোচনা।
দীর্ঘ দিন ধরে যশোরে হ্যান্ডবলের কোন লিগ হয়নি। তাই কিভাবে দল গঠন করা হল সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
২০১৭ সালে যশোরে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ২৭ তম জাতীয় হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়নশিপ। আগের আসরে যশোর জেলা দলের হয়ে খেলেনি অভিযোগে যশোরের গুরুত্বপূর্ন কয়েকজন ছাড়া দল ঘোষনা করা হয়। স্বাগতিক যশোর জেলা দলের অধিকাংশ খেলোয়াড় ছিল বাস্কেটবল দলের। বহিস্কৃত করা হয় সেসকল খেলোয়াড়দের।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় হ্যান্ডবলেও অংশ নেয় যশোর জেলা। বহিস্কৃত খেলোয়াড়দের বিষয়টি তখন আবারো সামনে আসে। অথচ যাদের বহিস্কার করা হয়েছিলো তাদের আজও অবধি কোন বহিস্কার পত্র দেয়া হয়নি। এসব খেলোয়াড়রা যাতে অন্য কোন জেলার পক্ষে খেলতে না পারে সে বিষয়ে যশোরের দায়িত্ব প্রাপ্তরা জোরালো ভূমিকা পালন করেছিলো হ্যান্ডবল ফেডারেশনে।
বহিস্কৃত খেলোয়াড়রা তাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে কিনা তা আজও জানে না। অথচ এবারের আসরে তারা অংশ নিচ্ছে বলে একটি সূত্র থেকে জানা গেছে। এসব খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন বর্ণ ও বিল্লাল। বর্ণ রীতিমত যশোরের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকায় অবস্থানরত দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন আলীবর্দী খা। প্রশিক্ষক হিসেবে দলের সাথে রয়েছেন আনিসুর রহমান।
ঢাকা থেকে প্রাপ্ত একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, খেলোয়াড়দের সাথে গেম নিয়ে কিংবা তাদের দেখ ভালো করার মত কোন সংযোগ নেই ম্যানেজার ও কোচের।
যদিও গ্রুপ পর্বে যশোর শীর্ষস্থানে থেকে দ্বিতীয় পর্বের খেলার ছাড়পত্র পেয়েছে। তারপরও প্রশ্নের পর প্রশ্ন আছড়ে পড়ছে ক্রীড়াঙ্গনে। কেন এ লুকোচুরি, কারা অর্থায়ন করে দল ঢাকায় প্রেরণ করেছে। কেন অনুশীলন করানো হয়নি খেলোয়াড়দের। কেন যশোরের ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ জানলো না বিষয়টি।