শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো নিয়ে গুজবে সতর্ক থাকুন: সিভিল সার্জন

ব্যুরো রিপোর্ট: ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খেয়ে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে এমন গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন যশোরের সিভিল সার্জন ডা. দিলীপ কুমার রায়। তিনি বলেছেন, সাধারণত প্রতিদিনই কোন না কোন শিশু অসুস্থ কিংবা মারা যান। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের দিনও একইভাবে অনেক শিশু অসুস্থ হতে পারে। এটাকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে আতংক ছড়ানো যাবে না। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুলের কোন পার্শ¦প্রতিক্রিয়া নেই। ফলে ক্যাপসুল খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হওয়ার সুযোগ নেই। মঙ্গলবার সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতাল সভাকক্ষে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টশন কর্মশালায় তিনি এই কথা বলেন। আগামি ১১ জানুয়ারি সারাদেশে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা সিভিল সার্জন অফিস আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় সিভিল সার্জন দীলিপ কুমার রায় আরও জানান, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯৪০জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এরমধ্যে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৬ হাজার ৩৭০জন ও এক বছর পাঁচ বছরের কম বয়সী দুই লাখ ৮২ হাজার ৫৭০জন। দুই হাজার ২২৮টি স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালে কোন শিশু অসুস্থ হলে মেডিকেল টিম তদারকি করবে। এজন্য জেলা উপজেলা পর্যায়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
কর্মশালায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত¡বধায়ক হারুন অর রশিদ বলেন, শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর প্রবণতা কমছে। মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালো ১৩ শতাংশ শিশু মৃত্যু কমানো সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর সময় গুজব ছড়ানো হয়। এতে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক প্রতিদিনের কথার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল। সঞ্চালনা করেন সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মাশহুরুল হক।