ত্রাণ বিতরণ: এমপিদের নেতৃত্বেই হোক সমন্বয় কমিটি

ইন্দ্রজিৎ রায়: করোনাভাইরাস প্রতিরোধ যুদ্ধে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। ঘরে রাখতে নানা তৎপরতা বহাল। কর্মহীন মানুষের খাদ্য সহায়তায় এগিয়ে এসেছে সরকারি, বেসরকারি, সংগঠন ও ব্যক্তি। প্রতিদিন হাজার হাজার পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তারপরও অভিযোগ অনেকই ত্রাণ বঞ্চিত। তাহলে এত ত্রাণ যাচ্ছে কোথায়?। জেলা প্রশাসক আহ্বান জানিয়েছেন, ব্যক্তি সংগঠনের ত্রাণ বিতরণে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করতে।’ কিন্তু সমন্বয়টা হবে কিভাবে। সেটি নিয়ে নানা মতভেদ আছে। যে যার মত ত্রাণ বিতরণে সমন্বয়ের সংকট।
এদিকে, সংসদ সদস্যরা মাঠে নেই। কিন্তু কেন নেই। সেটি নিয়ে নানা গুঞ্জন। সরকারি বরাদ্দের ত্রাণ বিতরণ হচ্ছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে । জনপ্রতিনিধি ও আমলাদের মাঝে কোথায় যেন একটা গ্যাপ থেকেই যাচ্ছে। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের অনেকেরই গা ছাড়া ভাব। এই অবস্থায় আমার সুপারিশ এমপি, জেলা প্রশাসক, এসপি, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ওসি, ইউপি চেয়ারম্যান, গণ্যমান্য/ শ্রেণী প্রতিনিধিদের নিয়ে ‘ত্রাণ বিতরণ সমন্বয় কমিটি’ গঠন করা হোক। আর ব্যক্তি, সংগঠন, বেসরকারি ও সরকারি বরাদ্দের ত্রাণ একই জায়গায় জমা করে ‌’ত্রাণ ব্যাংক’ গঠন করা হোক। জেলা/উপজেলা/ পৌরসভায় গঠিত কমিটি কর্মহীন মানুষের তালিকা করুক। এই তালিকা ধরেই ‘ত্রাণ ব্যাংক’ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হোক। এতে দ্বৈত কিংবা বঞ্চিত হওয়ার শংকা থাকবে না।

সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। কারণ করোনা পরিস্থিতির ধকল দুই এক সপ্তাহের হিসেব করলে হবে না। দীর্ঘমেয়াদী সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই খাদ্য সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হোক। কিন্তু এটা করবে কে? জেলা প্রশাসক মহোদয় উদ্যোগ নিতে পারেন। তার আহ্বানেই সবাই একত্রিত হোক।